Pathikrit Most Popular Online NewsPaper

    আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

    দীর্ঘ উত্তেজনার পর অবশেষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাত থামার আশা তৈরি হয়েছে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দেন। সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে শাহবাজ শরীফ যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন।জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

    ইরান ১০টি শর্ত দেয় তা নিচে তুলে ধরা হলো।সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:

    * ইরান ও তার মিত্রদের ওপর পুনরায় হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান।

    * হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকা।

    * ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচিতে বাধা প্রদান না করা।

    * ইরানের ওপর থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সব সম্পদ ও সম্পত্তি অবিলম্বে ফেরত প্রদান।

    * ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে তোলা সকল প্রস্তাব বাতিল করা।

    * আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রস্তাবগুলোও বাতিল করা।

    * ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

    * মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার। এবং

    * লেবানন সহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা।

    ইরানের গণমাধ্যমের দাবি করা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র এসব শর্ত মেনে নিয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র সেটি নিশ্চিত করেনি।

    তবে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে উভয়পক্ষ যে একমত হয়েছে, সেটি নিশ্চিত হয়েছে বিবিসি।সেইসঙ্গে, ইউরোনিয়াম সমৃদ্ধ করলেও সেটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলে প্রতিশ্রতিবদ্ধ হয়েছে তেহরান।

    ইরানে এখন পর্যন্ত যতটুকু পরমাণু সমৃদ্ধ করা হয়েছে, সেগুলো ‘যথোপযুক্তভাবে সেগুলো দেখভালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।”

    সেটা নাহলে আমি মীমাংসা করতাম না,” যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার পর বার্তাসংস্থা এএফপি’কে বলেছেন ট্রাম্প।

    তবে ইরানের ইউরেনিয়ামের বিষয়ে ঠিক কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি তিনি।

    যুদ্ধবিরতির জন্য ইরানকে রাজি করানোর ক্ষেত্রে চীনও ভূমিকা রেখেছে বলে জানতে পেরেছেন ট্রাম্প।

    Spread the love