
আশরাফুল আলমঃ
নিজ নির্বাচনী এলাকায় গণমানুষের বিপুল সংবর্ধনায় সিক্ত হয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে শৈলকুপা সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে এ গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে দুই শতাধিক ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
পরে তিনি শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, “সরকার যে বেতন দেয়, সে বেতনের মধ্যেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চলতে হবে। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। কেউ সরকারি বেতনে অসন্তুষ্ট হলে চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন—সরকার নতুনভাবে যোগ্য জনবল নিয়োগ দেবে।”
তিনি আরও বলেন, “সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির কোনো স্থান নেই। আমার দলের কোনো নেতাকর্মী কিংবা আমার নিকটাত্মীয় কেউ অন্যায় করলে, এক সেকেন্ডও দেরি না করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি অন্যায় আচরণ কখনোই সহ্য করা হবে না।”
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন অ্যাড. মো. আসাদুজ্জামান। নবগঠিত সরকারের আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল তাঁর প্রথম নিজ এলাকায় আগমন। এ উপলক্ষে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শৈলকুপার বিভিন্ন স্থানে অর্ধশতাধিক তোরণ নির্মাণ করা হয়।
গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজের সঞ্চালনায় কর্মসূচি পরিচালিত হয়।
পরে তিনি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বিকেলে আবাইপুর ইউনিয়নের যুগনী গ্রামে সপ্তপল্লী মন্দির প্রাঙ্গণে লীলা কীর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেখানেও সংবর্ধনা গ্রহণ করেন।