Pathikrit Most Popular Online NewsPaper

ছবি : আব্দুর রশিদের ফাইল ফটো

স্টাফ রিপোর্টার, কুষ্টিয়া:

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ৬ নম্বর জুনিয়াদহ ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার ও চায়ের দোকানে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। সাধারণ ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ইউনিয়নে একাধিক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকলেও তাদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন তৃণমূল বিএনপির বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর এবং বর্তমান ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি একজন সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আব্দুর রশিদ তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন। ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির আদর্শে রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন তিনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ছাড়াও দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক বিভিন্ন সংকট ও দুঃসময়ে আব্দুর রশিদ নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানান।

আসন্ন জুনিয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব প্রার্থী হিসেবে আব্দুর রশিদকে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন তার সমর্থক ও স্থানীয় কয়েকজন ভোটার। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন এবং নির্বাচনে প্রার্থিতা নির্ধারণের বিষয়টি দলীয় সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে।

আব্দুর রশিদ বলেন, “দীর্ঘ সময় ধরে আমি এই এলাকার মানুষের সঙ্গে আছি। দল ও জনগণের জন্য কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেলে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে জনগণের দোয়া, ভালোবাসা, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট প্রত্যাশা করব। জনগণের রায় পেলে জুনিয়াদহ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও বৈষম্যহীন মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব।”

এদিকে, আব্দুর রশিদকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে তার সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। দলীয় মনোনয়ন পেলে আসন্ন নির্বাচনে তিনি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবেন বলে মনে করছেন তার অনুসারীরা।