Pathikrit Most Popular Online NewsPaper

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতানের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম। তিনি টিপু সুলতানের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

    রোববার (৩১ মে) নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে খন্দকার টিপু সুলতান অভিযোগ করেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের পক্ষে কাজ করার জন্য তিনি তার ছোট ভাই আব্দুল মান্নানের কাছ থেকে দেড় কোটি টাকা নিয়েছেন। এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টিপু সুলতান কথিতভাবে কামারুল আরেফিনের সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম মামুনুর রসূল বাবু খাঁ হত্যা মামলার পেছনে তার মদদ ও পরিকল্পনা ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। এছাড়া মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী রব্বানকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম করার অভিযোগে টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    এদিকে বিষয়টি নিয়ে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা আব্দুল গফুর নিজের ফেসবুক পোস্টে টিপু সুলতানের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দেড় কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ কাল্পনিক, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    পোস্টে তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং নিজের অতীত কর্মকাণ্ড আড়াল করতেই টিপু সুলতান এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন। জনগণ এসব মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও তিনি দাবি করেনকুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতানের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম। তিনি টিপু সুলতানের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
    রোববার (৩১ মে) নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে খন্দকার টিপু সুলতান অভিযোগ করেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের পক্ষে কাজ করার জন্য তিনি তার ছোট ভাই আব্দুল মান্নানের কাছ থেকে দেড় কোটি টাকা নিয়েছেন। এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেন তিনি।
    সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টিপু সুলতান কথিতভাবে কামারুল আরেফিনের সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম মামুনুর রসূল বাবু খাঁ হত্যা মামলার পেছনে তার মদদ ও পরিকল্পনা ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। এছাড়া মিরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী রব্বানকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর জখম করার অভিযোগে টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
    এদিকে বিষয়টি নিয়ে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা আব্দুল গফুর নিজের ফেসবুক পোস্টে টিপু সুলতানের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দেড় কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ কাল্পনিক, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
    পোস্টে তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং নিজের অতীত কর্মকাণ্ড আড়াল করতেই টিপু সুলতান এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন। জনগণ এসব মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও তিনি দাবি করেন।
    এ ঘটনায় মিরপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

    এ ঘটনায় মিরপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

    Spread the love